সদস্যপদ নবায়ন ও নতুন নেতাকর্মী নিবন্ধন চলছে — এখনই আবেদন করুন
প্রতিষ্ঠা: ২১ ডিসেম্বর, ১৯৯০ নির্বাচনী প্রতীক: মোমবাতি
সদস্য হন
ঘোষণাপত্র

ঘোষণাপত্র

উপরোক্ত লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, মূলনীতি ও কর্মনীতিকে সামনে রেখে ‘বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট’ নিম্নলিখিত ১২ (বার) দফা কর্মসূচী গ্রহণ করেছে:

  1. সর্বস্তরের জনগণের মধ্যে সাধারণভাবে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত তথা ইসলামের প্রকৃত রূপরেখা এবং আদর্শের অনুভূতি জাগিয়ে তোলা।
  2. দলের আদর্শে অনুপ্রাণিত জনগণকে সুসংগঠিত করে প্রশিক্ষণ এবং সাংগঠনিক স্তরসমূহের ক্রমোন্নতি অনুযায়ী তৈরী করার মাধ্যমে সুন্নী মতাদর্শ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার আদর্শ কর্মী বাহিনী গড়ে তোলা।
  3. সমাজের উচ্চ হতে নিম্ন পর্যন্ত সর্বস্তরে এমন একদল মোত্তাক্বী ও বলিষ্ঠ নেতৃত্ব সৃষ্টি করা, যারা যাবতীয় প্রতিকূল অবস্থায়ও যে কোনো মূল্যে দলের হাল ধরে রাখার এবং অনুকূল পরিস্থিতিতে নাফসের শিকার ও স্বৈরাচারী না হয়ে জনকল্যাণ এবং সেবামূলক মনোভাবে উদ্বুদ্ধ হয়ে সুন্নী মতাদর্শ ভিত্তিক ইসলামী সমাজ ব্যবস্থা কায়েমে নেতৃত্ব দেয়ার যোগ্যতা অর্জন করবে।
  4. ওলামা-ই কেরাম, সম্মানিত পীর-মাশাইখ ও বুদ্ধিজীবী মহলের সাথে দলের আদর্শিক সু-সম্পর্ক এবং ইতিবাচক অবস্থান গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে তাদেরকে বিভিন্ন ফোরামের সাথে সম্পৃক্ত করা এবং ধীরে ধীরে দলের কর্মসূচীর সাথে সম্পৃক্ত করা।
  5. সুন্নীয়তের আলোকে ইসলামী বই-পুস্তক ও নানা ধরণের ম্যাগাজিন প্রকাশ করা এবং তা জনগণের মাঝে ব্যাপকভাবে বিতরণ করা।
  6. সভা, সমিতি, মিটিং, মিছিল, পোস্টারিং, ব্যানার, গণসংযোগ, সৌজন্য সাক্ষাৎ তথা বিভিন্নধর্মী সেমিনার-সিম্পোজিয়ামের মাধ্যমে বাতিল ফেরকাসহ সকল মানবগড়া ভ্রান্ত মতবাদের বিরুদ্ধে সামাজিক ঘৃণাবোধ সৃষ্টি করা, সাথে সাথে সুন্নী মতাদর্শের পক্ষে ব্যাপক জনমত তৈরী করা।
  7. অমুসলিমদের হিদায়তের জন্য দ্বীনের প্রচারণা তথা মিশনারী কাজ জোরদার করা এবং ইসলামের দিক-নির্দেশনা অনুযায়ী অমুসলিমদের ধর্মীয় স্বাধীনতা, সামাজিক অধিকার ও নিরাপত্তা রক্ষায় সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো, আর আদিবাসী ও নারী সমাজসহ সকল পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর অধিকারের প্রতি সচেতন হয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের প্রচেষ্টা চালানো।
  8. যে কোনো জাতীয় দুর্যোগে দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো। দেশের জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা।
  9. বেকার যুব সমাজের কর্মসংস্থানের উদ্যোগ গ্রহণ এবং গরীব ও অসহায় নারী গোষ্ঠীর জন্য কুঠির শিল্প ও ক্ষুদ্র ঋণের ব্যবস্থা গ্রহণ।
  10. ধর্মীয় ও জাতীয় (ধর্মীয় স্বার্থ বিরোধী নয় এমন) ইস্যুতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা চালানো।
  11. ব্যাপকভাবে দলের আদর্শ প্রচারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
  12. বিশ্বের অন্যান্য মুসলিম রাষ্ট্রসমূহ এবং মিত্র দেশগুলোর সাথে দলের সু-সম্পর্ক গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ।